আজ সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং

বিয়ানীবাজার

দিবালোক ডেস্ক

২৬ জুলাই, ২০১৯ ১৫:০৫

বিয়ানীবাজার উপজেলা যুবলীগের কমিটি সমাচার


বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের কমিটি দীর্ঘ ১৫ বছর পর নতুন কমিটি গঠনের তোড়জোড় আটকে গেছে কাউন্সিলর তালিকায়। নতুন কমিটির আশায় স্বপ্ন দেখা নেতাকর্মীদের আশায় গুড়েবালি। কমিটির পরিবর্তে তাদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হবে জেলা যুবলীগের কাউন্সিলর তালিকা। তাতে ২১জনের নাম নিয়ে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। এ তালিকায়ও আধিপত্য থাকছে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে- অভিযোগ যুবলীগ নেতাকর্মীদের।

গত ১১ জুলাই আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার সাংসদ নুরুল ইসলাম নাহিদ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ মতবিনিময় সভায় যুবলীগের কমিটি গঠনের জন্য নাম চাওয়া হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটির কাছে নেতাকর্মীদের নাম দিয়ে সম্ভাব্য তালিকা দেয়ার আহবান জানান নুরুল ইসলাম নাহিদ। তার নির্দেশনা ও পরামর্শ মেনে নেতাকর্মীরা তালিকা সংশ্লিষ্টদের কাছে জমা দিলেও যুবলীগের কমিটি গঠিত হচ্ছে না। এসব তালিকা থেকে কয়েকটি নাম বাছাই করে কাউন্সিলর তালিকা প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নেয়া জনৈক যুবলীগ নেতা বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা আহবায়ক কমিটি পাওয়ার কথা কিন্তু দুই সপ্তাহ পেরিয়ে যাচ্ছে এখন শুনছি কাউন্সিলর তালিকায় আমার নাম আসছে। তিনি বলেন, যতদূর জেনেছি একটি অঞ্চল কিংবা অংশকে প্রাধান্য দিয়ে এ কাউন্সিলর তালিকা করা হচ্ছে। সেখানে ক্ষমতাসীন বলয়ের ১১জন স্থান পেয়েছেন। আমার জানা ভুল না হলে অবশিষ্ট সব গ্রুপ মিলে কাউন্সিলর পেয়েছেন ১০ জন।

দায়িত্বশীলরা অতিতের মতো যুবলীগ নিয়ে ধোয়াশা তৈরী করে নেতাকর্মীদের সাথে প্রতারণা করছেন জানিয়ে অপর এক যুবলীগ নেতা বলেন, মুখ দেখে আর নিজের লোক দেখে কাউন্সিলর তালিকা করা যায়, কমিটি গঠন করা যায়। কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা তা মেনে নেবে না। আমরা যা শুনছি তা যদি সঠিক হয়ে যায় তাহলে বিয়ানীবাজারের চিত্র পাল্টে যাবে।

দায়িত্বশীলদের একজন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান খান বলেন, আমার কাছে যুবলীগের নেতাকর্মীরা যে তালিকা দিয়েছেন- আমি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। তিনি বলেন, দায়িত্বশীল হিসাবে আমার নাম ঘোষণা করেছেন কিন্তু আমার সাথে কেউ যোগাযোগ করেনি। তাই অপর দুইজনের সাথে এ নিয়ে বসা হয়নি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাসিব মনিয়া বলেন, তালিকা আমরা পাঠিয়েছি। আতাউর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি আমাদের সাথে যোগাযোগ না করে একটি তালিকা পাঠান। আমরা একটি তালিকা পাঠাই। তিনি বলেন, এ তালিকা দিয়ে কমিটি হবে না কাউন্সিলর তালিকা হবে সেটি আমি বলতে পারবো না।



শেয়ার করূন

আপনার মতামত