সর্বশেষ

  বসন্তের কবিতাগুচ্ছ - সঞ্জয় আচার্য   বিয়ানীবাজারে ছাত্র ইউনিয়নের ভাষা দিবস স্কুল উৎসব সম্পন্ন   ১৯ জানুয়ারী সাংবাদিক মোহাম্মাদ বাসিতের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী   এক বছরে বিশ্বে ধনীরা আরো ধনী হয়েছেন, গরিবরা আরো গরিব   হোলি আর্টিজানে হামলার জন্য ৩৯ লাখ টাকা জোগাড় করেন মামুন   জেলা হাসপাতালের ৪০ শতাংশ চিকিৎসকই অনুপস্থিত : দুদক   বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরীর উদ্ভাবিত ভুট্টা ক্যান্সার প্রতিরোধক!   আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল আর নেই   বিয়ানীবাজারের আব্দুল্লাপুর সপ্রাবিতে শিক্ষার্থী সংবর্ধনা   ক্ষমতাবলে শিক্ষক হওয়া স্যার, আপনাকেই বলছি!   মাথাপিছু ঋণ ১৭ হাজার টাকা   বিয়ানীবাজার ছাত্র ইউনিয়নের স্কুল উৎসব   উন্নয়ন, দুর্নীতি ও জিডিপি: একসঙ্গে বাড়ার রহস্য কী?   বিশ্বব্যবস্থাঃ পুঁজিবাদ যেভাবে আমাদের মেরে ফেলছে   গোলাপগঞ্জে বাস-সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ।। নিহত ২ আহত ২

বিচিত্র খবর

'গরু খাওয়ায় কেরালায় এমন ভয়াবহ বন্যা!'

প্রকাশিত : ২০১৮-০৮-২২ ১১:৪৬:৫৮

রিপোর্ট : দিবালোক ডেস্ক


ভারতের কেরালায় শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগ চলছে। প্রবল বন্যায় বিপর্যস্ত কেরালা। সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৪০০ ছুঁই ছুঁই। বেসরকারি মতে যা আরও অনেক বেশি। লক্ষাধিক মানুষ গৃহহীন। দক্ষিণের রাজ্যের চরম বিপদের মুহূর্তে এগিয়ে এসেছে পাশে দাঁড়িয়েছে দেশটির সকল রাজ্যের মানুষ এবং বিভিন্ন অঙ্গণের তারকারা। পাশে দাঁড়িয়েছে দল-মত নির্বিশেষে কেন্দ্র ও রাজ্যের সরকার। সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য।

কিন্তু এমন সময়েও ঘৃণ্য রাজনীতির আশ্রয় নিয়ে অপপ্রচার ছড়াতে পিছপা হচ্ছে না একশ্রেণির উগ্র মৌলবাদী মানুষ। সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে কেরালা বন্যার 'কারণ' বিশ্লেষণের নামে কুৎসা রটাচ্ছে তারা। চলছে কেরালা এবং মালয়ালিদের সম্পর্কে অপপ্রচার। যদিও বেশিরভাগ মানুষ এসব পোস্টে রিপোর্ট করছেন এবং প্রতিবাদ করছেন। আবার অনেকে ভয় পাচ্ছেন, গো রক্ষকদের হাতে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার। 

ফেসবুকে ভাইরাল এই ধরনের কুৎসিত পোস্টগুলিতে বলা হয়েছে, কেরালা নাকি আজ ধ্বংসের পথে। কারণ সেখানে কুকুরদের নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে। হিন্দু দেবতাদের অপমান করা হয়েছে। ধর্ম পরিবর্তনে এগিয়ে কেরালা। শবরীমালায় নারীদের প্রবেশে বাধা। গো-হত্যায় সবচেয়ে এগিয়ে কেরালা। সে রাজ্যের মুসলিম যুবকরা আইএসে যোগ দেয়। এবং সেখানে গো-মাংস খাওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে কেরালায় গত ১৫ আগস্ট থেকে স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ৩০ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। এই অতিরিক্ত পানি ধরে রাখার ক্ষমতা কেরালার জলাধারগুলির ছিল না। এর ফলেই বাঁধের জল ছাড়তে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। আর তার জেরেই ভেসে গেছে গ্রাম থেকে শহর।

শেয়ার করুন

Print Friendly and PDF


মতামত দিন

Developed By -  IT Lab Solutions Ltd. Helpline - +88 018 4248 5222