সর্বশেষ

  ছাত্রদলের নতুন কমিটির কার্যক্রমে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা   সিলেট চেম্বারের নতুন সভাপতি শোয়েব, সহ সভাপতি চন্দন ও তাহমিন   মৌলভীবাজারের মেয়ে পিংকি বাংলাদেশ বিমানের ক্যাপ্টেন   হবিগঞ্জে একযোগে ১৪৩ শহীদ মিনার উদ্বোধন   এবার অভিযান সিলেটের ক্লাবপাড়ায়   নারায়ণগঞ্জে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বাড়ি ঘেরাও   ক্যাসিনোর পাশাপাশি স্পা সেন্টারেও পুলিশের অভিযান   লন্ডনে বাড়ছে ঘরহীনের সংখ্যা, ডাস্টবিন থেকে খাবার কুড়িয়ে খাচ্ছে মানুষ   আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান   বিয়ানীবাজারে নবাগত ইউএনও হিসেবে যোগদান করলেন মৌসুমী মাহবুব   মৌলভীবাজারে ১০১৪ মণ্ডপে হবে শারদীয় দুর্গাপূজা   জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম   মোহামেডান–ভিক্টোরিয়াসহ চার ক্লাবে ক্যাসিনো আছে জানত না পুলিশ   রুবেল মুর্মুকে আহ্বায়ক করে জয়পুর – মাদারপুর (আদিবাসী সাঁওতাল পল্লীতে ) ছাত্র ইউনিয়নের কমিটি   মইনুদ্দিন জালালের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালনে কমিটি গঠন

অর্থনীতি

এ বাজেট ধনীকে আরও ধনী, গরিব-মধ্যবিত্তকে অসহায় করে তুলবে: সিপিবি

প্রকাশিত : ২০১৯-০৬-১৮ ১৮:২৫:২৩

রিপোর্ট : দিবালোক ডেস্ক


জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটকে সাম্রাজ্যবাদ ও ধনীদের স্বার্থরক্ষাকারী বাজেট বলে আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। তারা বলছে, এ বাজেট ধনীকে আরও ধনী ও গরিব-মধ্যবিত্তকে অসহায় করে তুলবে। এই বাজেট প্রত্যাহার করে প্রগতিশীল বাজেট প্রণয়নের দাবি জানায় সিপিবি।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের মোট ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করা হয়েছে। বাজেটে মোট ঘাটতি ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। বাজেট নিয়ে এক বিবৃতি দিয়েছে সিপিবি।

বিবৃতিতে সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম বাজেটকে গতানুগতিক আখ্যা দিয়ে বলেন, দেশের ৯৯ শতাংশ মানুষের পরিশ্রমের বিনিময়ে অর্থনীতির যে প্রবৃদ্ধি ঘটছে, তার মাত্র ১ শতাংশ তাদের এবং ৯৯ শতাংশই ১ শতাংশ ধনিকদের পকেটস্থ করা হয়েছে। তাঁরা বলেন, এ বাজেট ধনীদের আরও ধনী করবে এবং গরিব-মধ্যবিত্তকে আপেক্ষিকভাবে আরও দরিদ্র ও আর্থিকভাবে অসহায় করে তুলবে। বাজেটকে ‘সাম্রাজ্যবাদ ও লুটেরা ধনিক শ্রেণির স্বার্থরক্ষার গণবিরোধী দলিল’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাখ্যান করেন তাঁরা।

বিবৃতিতে সিপিবি জানায়, এবারের বাজেটের আকার যেমন স্মরণকালের সর্বোচ্চ, তেমনি ঘাটতির পরিমাণও সবচেয়ে বেশি। বাজেট প্রস্তাবে রাজস্ব আহরণের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা কীভাবে অর্জিত হবে তা সুস্পষ্ট নয়। এই বিপুল পরিমাণ বাজেট ঘাটতি মেটানোর জন্য বিশাল ঋণের বোঝা চাপানো হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ পর্যাপ্ত পরিমাণে বৃদ্ধির দাবি অগ্রাহ্য করা হয়েছে।

বাজেটকে অনির্ভরযোগ্য ও অবাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাবে পরিণত করা হয়েছে জানিয়ে সিপিবি নেতারা বলেন, বাজেটের তথ্য ভিত্তির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে। তাঁরা এ বাজেট প্রত্যাহার করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমাজতন্ত্র, দরিদ্র জনগণের স্বার্থ প্রতিষ্ঠা ও প্রগতিশীল বাজেট প্রণয়নের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

শেয়ার করুন

Print Friendly and PDF


মতামত দিন

Developed By -  IT Lab Solutions Ltd. Helpline - +88 018 4248 5222