সর্বশেষ

  নেত্রকোনা-৪ আসনে বাম জোটের প্রচারণায় হামলা, প্রার্থীসহ আহত ৪   ওয়ানডেতে অভিষিক্ত হচ্ছে সিলেট স্টেডিয়াম   আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস   কুড়ারবাজার ইউপি সদস্য মাছুম গ্রেফতার   ২৪-২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনাবাহিনী নামবে   কলচার্জ, কলড্রপ ও বিরক্তিকর মেসেজের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট   আস্থা ভোটে টিকে গেলেন থেরেসা মে   জামায়াত বাদ, সিলেট-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী ফয়সল চৌধুরী   বিয়ানীবাজার পলাতক আসামী শিবির নেতা রাজ্জাক গ্রেফতার   বিয়ানীবাজার পৌর আ.লীগের সহ সভাপতি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী খছরুল হক মঙ্গলবার দেশে আসছেন   বিয়ানীবাজার মুড়িয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান খয়ের গ্রেফতার   বিয়ানীবাজারে ডাকাতিঃ নগদ দুই লক্ষ টাকাসহ ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট   বিএড কোর্সে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু ১৭ ডিসেম্বর   হাঁসের ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর অভিনব ‘তুষ-হারিকেন’ পদ্ধতি   অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ফিরছেন সেরেনা উইলিয়ামস, রাফায়েল নাদাল

সম্পাদকীয়

পবিত্র নাথ দাসের অমর কীর্তি

পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়

প্রকাশিত : ২০১৫-১০-০৪ ১৮:৫৬:৩৯

রিপোর্ট : মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান

বৃটিশ আমল এমনকি নবাবী আমলের পূর্বে বিয়ানীবাজার ছিলো পঞ্চখণ্ড নামে হিন্দু প্রভাবশালী এলাকা। হিন্দু সমাজে টোল শিক্ষার প্রচলন ছিলো। আর মুসলিম সমাজে ছিলো মক্তব শিক্ষার প্রচলন। সর্বজনীন আধুনিক শিক্ষার জন্যে মাঝে মধ্যে ছিলো প্রাইমারি স্কুল। কোনো কোনো এলাকায় এম.ই স্কুল (মিডিল ইংলিশ স্কুল) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো বৃটিশ আমলে। বিয়ানীবাজারে অগ্রসর আধুনিক শিক্ষা প্রবর্তন করেন পবিত্র নাথ দাস। পবিত্র নাথ দাসের অমর কীর্তি পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় ( পিএইচজি হাই স্কুল)। 
পবিত্র নাথ দাসের পিতার নাম শ্রী গৌরচন্দ্র দাস। প্রাচীন পঞ্চখণ্ডের দাসগ্রামে বর্তমান (বিয়ানীবাজার পৌরসভার) সন্তান গৌরচন্দ্র দাস বাংলা ও ইংরেজি ভাসায় দক্ষ ছিলেন। সময়ের দাবি পূরণে ফার্সি ভাষায়ও শিক্ষা লাভ করেন । কারণ তখন অফিস আদালতে ফার্সি ভাষা জানতা লোকের বেশ কদর ছিলো। তিনি ফার্সি জানার যোগ্যতায় বরিশাল জজ কোর্টে দোভাষী হিসেবে সরকারি চাকুরী লাভ করেন। তার পদবী হয় মুন্সী। মুন্সী গৌরচন্দ্র দাসের কর্মস্থল বরিশালে ২১ চৈত্র ১২৭৭ সালে। ৪ এপ্রিল ১৮৭১ সালের মঙ্গলবার পবিত্র নাথ দাসের জন্ম হয়। পবিত্র নাথ দাস বরিশালেই প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। ১২৮৮ বাংলায় পবিত্র নাথ দাসের জ্যেঠা (চাচা) হরগোবিন্দ দাস নিঃসন্তান অবস্থায় গ্রামের বাড়িতে মারা যান। এর পরের বছরই অর্থাৎ ১২৮৯ সনে পবিত্র নাথ দাসের পিতা মুন্সী গৌরচন্দ্র দাসের মৃত্যু হয় বরিশালে। এর পরই পবিত্র নাথ দাসের মাতা পবিত্র নাথ দাসকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামের বাড়ি বিয়ানীবাজারের দাসগ্রামে চলে আসেন। আসার পর পবিত্র নাথ দাস তার মায়ের তত্ত্বাবধানে বেড়ে ওঠতে থাকেন। ছেলেকে শিক্ষিত পিতার শিক্ষিত সন্তান হিসেবে গড়ে তুলতে পবিত্র নাথ দাসকে সিলেট পাইলট হাই স্কুলে ভর্তি করেন। পবিত্র নাথ দাস সিলেট পাইলট হাই স্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে মেট্রিক (এসএসসি) পাস করেন। মেট্রিক পাস করার পর উচ্চতর শিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে পবিত্র নাথ দাস কলকাতার একটি কলেজে ভর্তি হন। পড়াশোনার চেয়ে পারিবারিক জমিদারী দেখাশোনা জরুরী হয়ে পড়ে। তাই মায়ের ডাকে পবিত্র নাথ দাস পঞ্চখণ্ডে চলে আসেন এবং পারিবারিক জমিদারীর দায়িত্ব নেন। জমিদার পুত্র হলেও পবিত্র নাথ দাস দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে একজন মানব হিতৈষী ব্যক্তি ছিলেন। দায়িত্ব পেয়ে পবিত্র নাথ দাস মানুষের কল্যাণে অর্থ সম্পদ ব্যয় করার মন স্থির করেন। বিশেষ করে তার নিঃসন্তান জ্যেঠার স্মৃতি রক্ষায় বিয়ানীবাজারে একটি মান সম্পন্ন হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বিয়ানীবাজারের কেন্দ্রস্থলে পবিত্র নাথ দাস পরিবারের সম্পত্তিতে এক সুদৃশ্য টিলার ওপর একটি প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। এই টিলায় সুরেশ চন্দ্র দাসের প্রচেষ্টায় একটি এম.ই স্কুল স্থাপিত হয়েছিলো। বিস্তৃত মনোরম টিলায়ই হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন পবিত্র নাথ দাস। ১৯১০ সালের কথা। তখন চলাচলের প্রধান মাধ্যম ছিলো নৌপথ। বিয়ানীবাজারের শেওলার পাশ দিয়ে বহমান কুশিয়ারা নদী দিয়ে জলযানে যাতায়াত করতো কলকাতা পর্যন্ত। জাহাজে করে কলকাতা থেকে ঢেউটিন, লোহার খুঁটি ও প্রয়োজনীয় মূল্যবান কাঠ নিয়ে আসেন। টিলাটির উপরিভাগ সমতল করে ৬০ হাত দীর্ঘ ৩টি বিল্ডিং নির্মাণ করেন। পূর্ব পশ্চিম লম্বা প্রতিটি বিল্ডিংয়ের সম্মুখে প্রশস্ত বারান্দা রাখা হয়। এক বিল্ডিং থেকে আরেক বিল্ডিংয়ে যাওয়া আসার জন্যে মধ্যখান দিয়ে শৈল্পিক টিনশেড বানানো হয়। ফলে মধ্যে বিল্ডিংকে কেন্দ্র বিল্ডিংগুলো ইংরেজি অক্ষর ‘এইচ’ সেইড ধারণ করে। প্রত্যেকটি বিল্ডিংয়ের মেঝ পাকা, দেয়াল পাকা, চালা টিনের এবং প্রত্যেকটি খুঁটি লোহার। বিল্ডিংগুলোর ক্লাসরুম বিভক্তির পাটিশন কাঠের তক্তা দিয়ে তৈরি করা হয়। প্রয়োজনে তক্তাগুলো একটা একটা করে খুলে জড়ো করে রাখা যায়। ফলে পরীক্ষা লওয়ার সুবিধার্থে অথবা সভা-সমাবেশের জন্যে প্রত্যেকটি বিল্ডিংকে একেকটি হল হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ৩টি বিল্ডিংয়ের লাগোয়া পূর্বে এসেম্বলি করার জন্যে বিস্তৃত খোলা চত্বর রাখা হয়। সাধারণতো টিলাভূমির পাশেই থাকে কিছু নীচু ভূমি। স্কুল টিলা সন্নিহিত উত্তরের নীচু ভূমিকে সমতল করিয়ে নির্মাণ করা হয় পূর্ব পশ্চিম দীর্ঘ বিশাল খেলার মাঠ। খেলার মাঠ সংলগ্ন পশ্চিমের ছেদ টিলায় স্থাপন করা হয় প্রধান শিক্ষকের বাসভবন। প্রধান শিক্ষকের বাসভবন থেকে কোয়াটার কিলোমিটার পশ্চিমে স্থাপন করা হয় ছাত্র শিক্ষক বোডিং। পরে এক সময় ছাত্র শিক্ষক বোডিংটি নিয়ে আসা হয় স্কুলটিলায়। স্কুলটির অবকাঠামোর সব কিছুই তৈরী করা হয় আধুনিক দৃষ্টিকোণ থেকে সুপরিকল্পিতভাবে। প্রায় সাড়ে ৬ একর ভূমি নিয়ে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটির নামকরণ করা হয় ‘পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ হাই স্কুল।’ কালক্রমে সংক্ষিপ্ত পরিচিত নাম হয় পিএইচজি হাই স্কুল। পবিত্র নাথ দাস পিএইচজি হাই স্কুলের কাঠামো নির্মাণ শেষে শিক্ষক নিয়োগের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন পাঁচ ব্রাহ্মণের আবাদ ভূমি হিসেবে বিয়ানীবাজারের পূর্ব নাম হয়েছিলো পঞ্চখণ্ড। পবিত্র নাথ দাস ব্রাহ্মণ সন্তানদের পিএইচজি হাই স্কুলে ভর্তি হতে যাতে জাতমতের প্রশ্ন না ওঠে সেদিক বিবেচনায় রাখেন। পাশাপাশি হযরত শাহজালালের সিলেট বিজয়ের ফলে বিয়ানীবাজারও ইসলামের আলোয় আলোকিত হয়ে উঠে। পিএইচজি হাই স্কুলে ভর্তি হতে আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির মুসলিম পরিবারের সন্তানরাও যাতে কোনো রকম দ্বিধাদ্বন্দ্বে না পড়েন শিক্ষক নিয়োগে সে দিকটিও বিবেচনায় রাখেন। আধুনিক চিন্তার অহিংস অসাম্প্রদায়িক বাবু পবিত্র নাথ দাস। সব দিক বিবেচনা করে পবিত্র নাথ দাস সিদ্ধান্ত নেন কূলীন বংশের হিন্দু-মুসলিম চরিত্রবান ব্যক্তিদেরই শুধু শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেবেন স্কুলে। পবিত্র নাথ দাস কলকাতা থেকে কুলীন ব্রাহ্মণ হেমাঙ্গ ব্যানার্জিকে স্বসম্মানে এনে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেন। খান সাহেবের নামে পরিচিত একজন বিজ্ঞ মুসলিম শিক্ষকও নিয়োগ প্রাপ্ত হন স্কুলের প্রথম স্টাফে। বিয়ানীবাজারে সুপাতলা গ্রামের সন্তান শ্রী নাথ ভট্টাচার্য্য করিমগঞ্জ হাই স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। তাকেও ধরে নিয়ে আসা হয় পিএইচজি হাই স্কুলে। এমনিভাবে বংশধর খ্যাতিমান শিক্ষকদের দিয়ে চালু করা হয় হরগোবিন্দ হাই স্কুল। বিস্তৃত টিলার ওপর স্কুল, স্কুলের উত্তরে খেলার মাঠ, মাঠের পশ্চিমে হেড মাস্টারের বাসা, সন্নিহিত পূর্বে সিএন্ডবির প্রধান সড়ক, এমন মনোরম দৃশ্য নিেিয় ১৯১৭ সালে যাত্রা শুরু করে বিদ্যালয়টি। পিএইচজি হাই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে পাশের এম.ই স্কুলটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। স্কুল প্রতিষ্ঠার পরপরই বাবু পবিত্র নাথ দাস স্কুলটির সরকারি স্বীকৃতি আদায়ে তৎপর হয়ে ওঠেন। তখন বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত মিলিয়ে ছিলো এক দেশ ইণ্ডিয়া। দেশ পরিচালনায় ছিলো বৃটিশ সরকার। আসাম ভ্যালির সবগুলো হাই স্কুল ছিলো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন। তাই স্কুলটির স্বীকৃতি আদায়ে বৃটিশ সরকার ভক্ত উঁচু শ্রেণীর মানুষের সহযোগিতার প্রয়োজন হয় পবিত্র নাথ দাসের। সে সময় পঞ্চখণ্ডের লাউতা গ্রামের রায়বাহাদুর দুলাল চন্দ্র দেব ছিলেন সিলেট পৌরসভার চেয়ারম্যান। আসাম ভ্যালির কমিশনার (প্রশাসক) ছিলেন বিটসন বেল। দুলাল চন্দ্র দেবের সুসম্পর্ক ছিলো বিটসন বেলের সাথে। বাবু পবিত্র নাথ দাস রায় বাহাদুর দুলাল চন্দ্র দেবের সহযোগীতায় পিএইচজি হাই স্কুলের অস্থায়ী স্বীকৃতি আদায় করেন। অস্থায়ী স্বীকৃতি মানে বছর বছর স্বীকৃতি নবায়ন করতে হবে। পবিত্র বাবু অস্থায়ী স্বীকৃতিতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তার চাই স্থায়ী স্বীকৃতি। স্থায়ী স্বীকৃতির জন্যে প্রয়োজন মেট্রিকে (এসএসসিতে) গোল্ডেন ফলাফল। পবিত্র নাথ দাস মেট্রিকে ভালো ফলাফলের প্রয়োজনে নিয়মিত তদারকি করতে থাকেন স্কুলে ছাত্র উপস্থিতি, শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি, অভিভাবকদের সচেতনতা। ১৯২১ সালে পিএইচজি হাই স্কুলের প্রথম ব্যাচ ১৩ জন ছাত্র মেট্রিক পরীক্ষা দেন। এ প্রথম ব্যাচের ১৩ জনের মধ্যে ১৩ জনই কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। তাদের মধ্যে ১০ জন ছাত্র প্রথম বিভাগ এবং ৩ জন ছাত্র দ্বিতীয় বিভাগ লাভ করেন। প্রথম ব্যাচেই ১০ জন প্রথম বিভাগসহ শতভাগ পাশ নিঃসন্দেহে পিএইচজি হাই স্কুলের একটি ভালো রেজাল্ট। ভালো রেজাল্টের উদাহরণস্বরূপ ১৯২৫ সালের ফলাফলটিও এখানে উল্লেখ করছি। ১৯২৫ সালে পিএইচজি হাই স্কুল থেকে ১৫ জন ছাত্র মেট্রিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তন্মধ্যে ১৪ জনই প্রথম বিভাগে পাশ করেন। ১ জন পাশ করেন দ্বিতীয় বিভাগে। কোনো ফেল নেই। এমনিভাবে লাগাতার কয়েক বছর প্রথম বিভাগের ছড়াছড়ি নিয়ে শতভাগ পাস করায় হরগোবিন্দ হাই স্কুলের সুনাম আসাম ভ্যালির স্কুলগুলোসহ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব স্কুলে ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরও দৃষ্টি আকৃষ্ট হয় পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ হাই স্কুলের প্রতি। এ প্রেক্ষাপটে জনশিক্ষা পরিচালক (উচও ) স্কুলটি পরিদর্শনে এসে মন্তব্য করেন, হরগোবিন্দ হাই স্কুল আসাম ভ্যালির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হাই স্কুল। উল্লেখ্য যে, আজকের এসএসসি সমমান সেদিনের মেট্রিক এবং আজকে এ+ মানেই সেদিনের প্রথম বিভাগ। আজকের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্র বিয়ানীবাজারে। সেদিন কিন্তু মেট্রিক পরীক্ষার্থীদের করিমগঞ্জ গিয়ে পরীক্ষা দিতে হতো। এতো প্রতিকূল অবস্থা ডিঙ্গিয়ে বিয়ানীবাজারের শিক্ষার্থীরা গোল্ডেন ফলাফল করে হরগোবিন্দ হাই স্কুলকে আসাম ভ্যালির শ্রেষ্ঠ স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এভাবেই বাবু পবিত্র নাথ দাসের স্বপ্ন ধীরে ধীরে স্বার্থকতা লাভ করে।সফলতার শিখরে আরোহনের পরও পবিত্র নাথ দাস স্কুলটির স্থায়ী স্বীকৃতির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখেন। অবশেষে ১৯৪১ সালে হরগোবিন্দ হাই স্কুল স্থায়ী স্বীকৃতি লাভ করে। কিন্তু বাবু পবিত্র নাথ দাস তখন আর বেঁচে নেই। ১৯৩৯ সালের ৮ জুলাই শনিবার (২৪ আষাঢ়) তিনি পরলোক গমণ করেন। পরলোকাত হলেও পিএইচজি হাই স্কুল স্থায়ী স্বীকৃতি পাওয়ায় একদিকে পবিত্র নাথ দাসের প্রচেষ্টা সফল হয় অপরদিকে শিক্ষক ছাত্র অভিভাবকই এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ সবাই উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন। হরগোবিন্দ হাই স্কুল আগামীর পথে জোরকদম এগিয়ে চলে। স্কুলটি পঞ্চখণ্ডে তথা বিয়ানীবাজারে সর্বপ্রথম আধুনিক শিক্ষার আলো ছড়ায়। স্কুল থেকে শিক্ষা নিয়ে পরবর্তীতে দেশে বিদেশে মর্যাদার আসন অলংকৃত করে মহান দায়িত্ব পালন করেছেন এবং করছেন এমন ব্যক্তি অগণিত। উদাহরণস্বরূপ খ্যাতিমন কয়েকজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা যায়। ড: গোবিন্দ চন্দ্র দেব (শহীদ দার্শনিক জি.সি দেব) লাউতা। মবারক আলী উকিল, ১৯৩৫ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত আসাম আইন সভার সদস্য ছিলেন, কসবা। জ্যেতিষী ড: দ্বারশ শর্মাচার্য, ভার প্রবাসী, ঘুঙ্গাদিয়া। প্রফেসর মুহিব আলী, বিয়ানীবাজারের মুসলিমদের মধ্যে প্রথম এম.এ পাস ব্যক্তি ও প্রথম প্রফেসর, ছোটদেশ। ব্যারিষ্টার অলঙ্গধর, ভারত প্রবাসী, খাসাড়ীপাড়া। আবদুল মুছাওয়ীর লোদী (আলীগড়ী, সাহেব), মহাপরিচালক, বাংলাদেশ খাদ্য বিভাগ, মাথিউরা। কৃষিবিদ মশাহিদ আলী, দাসউরা। অধ্যাপক সুধীর চন্দ্র পাল, এম.সি কলেজে বাংলার অধ্যাপক ছিলেন, আঙ্গারজুর। ইরফান আলী, ম্যানেজার, বাংলাদেশ ব্যাংক, শ্রীধরা। অধ্যাপক রফিকুর রহমান, পরীক্ষানিয়ন্ত্রক, রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড, মাথিউরা। আব্দুল আহাদ, জেলা জজ, কসবা। আজিজুর রহমান চৌধুরী, প্রকৌশলী, বড়দেশ। আলাউদ্দিন আহমদ, প্রকৌশলী, বড়দেশ। ডা: ইরশাদ আলী, মাথিউরা। ডা: ছফর উদ্দিন, কোণাগ্রাম। ডা: অনিল কুমার পাল, কসবা, ভারত প্রবাসী। ডা: তৈমুছ আলী, ছোটদেশ। ডা: নূর উদ্দিন, ঘুঙ্গাদিয়া। ডা: মতিন উদ্দিন আহমদ, কসবা। ডা: আসাদ উদ্দিন, আঙ্গারজুর। ডা: আবুল কালাম, নয়াগ্রাম। ডা: ফারুক উদ্দিন, মুল্লাপুর। ডা: শাহেদ আহমদ, মাথিউরা। ডা: নজমুল ইসলাম, খাসারীপাড়া। মরহুম ডা: গোলাম ছামদানী, কসবা। ডা: খালেদ আহমদ, শ্রীধরা, আমেরিকা প্রবাসী। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: মনজ্জির আলী, নয়াগ্রাম। ডা: শমসের ্আলী, বড়দেশ। মুহিবুর রহমান, দায়রা জজ, মাথিউরা। বিচারপতি আবদুল হাসিব, শ্রীধরা। বিচারপতি আবু তারেক, শ্রীধরা। মকরম আলী, স্কুল পরিদর্শক, বড়দেশ। মুদাচ্ছির আলী, সহ স্কুল পরিদর্শক, কসবা। আলহাজ্ব তফজ্জুল আলী, কমিশনার আবগারী বিভাগ, ছোটদেশ। অধ্যাপক শামসুল হুদা, আঙ্গারজুর। অধ্যক্ষ ইমদাদুর রহমান, প্রতিষ্ঠাতা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ, ঘুঙ্গাদিয়া। ডা: ছিদেক আলী, ভূতত্ত্ববিদ, ফতেপুর। ডা: আবদুল হক, কৃষি বিশেষজ্ঞ, ঘুঙ্গাদিয়া। নূর চান্দ, কেমিস্ট, আস্টসাঙ্গন। মরহুম ডা: আইয়ুবুর রহমান, সচিব, পাতন। সোয়েব উদ্দিন আহমদ, সচিব (অব) কসবা। আবদুল ওয়াদুদ, সচিব, দাসগ্রাম। অবসরপ্রাপ্ত মেজর ডা: মাহবুবুর রহমান, বড়দেশ মেজর (অব) হারুনুর রশীদ, পুরুষপাল। মেজর (অব) ছফর উদ্দিন, খাসাড়ীপাড়া। মরহুম এএসপি আতাউর রহমান, কোণাগ্রাম। এএসপি (অব) মনির উদ্দিন আহমদ, কোণাগ্রাম। আবদুল গণি দারগা (অব) ফেনগ্রাম। এডভোকেট সৈয়দ আশরাফ হোসেন, বালিঙ্গা। এডভোকেট মহব্বত খান, ছোটদেশ। এডভোকেট মফিক উদ্দিন, বড়দেশ। ব্যরিষ্টার আবু জহির টিটো, লন্ডন, শ্রীধরা। ব্যারিষ্টার ইসতিয়াক আহমদ বাংলা, কসবা খাসা। এডভোকেট সাঈদ আহমদ মুমিত স্বপন, কসবা। এডভোকেট এম.এ কাসেম, কসবা। জনাব আবদুল মতিন, প্রধান শিক্ষক, রেসিডেন্সিয়্যাল মডেল হাই স্কুল, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। কুড়ারবাজার হাই স্কুলের প্রধান প্রতিষ্ঠাতা আকাখাজনা আবদুল মতিন, সারপার হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক, টেকইকোণা। আবদুল আহাদ (বিএসসি সাহেব), চান্দগ্রাম হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা, চান্দগ্রাম। খলিল আহমদ, প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল হাজী ফয়জুর রহমান একাডেমী, ছোটদেশ। এমনিভাবে অনেকেই পিএইচজি হাই স্কুলে পড়ালেখা করে পবিত্র নাথ দাসের অনুকরণে স্ব স্ব এলাকায় বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছেন। এ ছাড়াও সম্মানীত শিক্ষকবৃন্দ হলেন মরহুম রিয়াসত আলী স্যার, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন ও পিএইচজি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন, বাড়ি বড়দেশ। আজির উদ্দিন স্যার, সাবেক প্রধান শিক্ষক জলঢুপ হাই স্কুল, বাড়ি বড়দেশ। আলী আহমদ স্যার, সাবেক প্রধান শিক্ষক পিএইচজি হাই স্কুল, কসবা। আবদুর রহমান, সাবেক সহকারি প্রধান শিক্ষক পিএইচজি হাই স্কুল, ফতেপুর। নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক প্রধান শিক্ষক জৈন্তা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, বড়উদা। মরহুম মশরফ আলী, সাবেক শিক্ষক পিএইচজি হাই স্কুল, চন্দগ্রাম। মরহুম মুজাম্মিল আলী, সাবেক প্রধান শিক্ষক (অনারারি) বিয়ানীবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও উপজেলা চেয়ারম্যান বিয়ানীবাজার উপজেলা, মাটিকাটা। মরহুম জমসেদ আলী, সাবেক শিক্ষক অত:পর ফেমিলি প্ল্যান অফিসার সিলেট, ছোটদেশ। মরহুম আকমল আলী, জলঢুপ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন, কোণাগ্রামে পরবর্তীতে জলঢুপ। মরহুম রফিক উদ্দিন, সাবেক শিক্ষক পিএইচজি হাই স্কুল ও সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, খাসাড়ীপাড়া। আবদুল হাসিব, সাবেক প্রধান শিক্ষক জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়, পাতন। আবদুর রহীম, সাবেক শিক্ষক, পিএইচজি হাই স্কুল, ফতেপুর। কাজি মতিউর রহমান, সাবেক প্রধান শিক্ষক খলিল চৌধুরী আদর্শ বিদ্যানিকেতন, বড়দেশ। জিয়া উদ্দিন আহমদ, প্রধান শিক্ষক বিয়ানীবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বড়দেশ। আবদুল হাসিব জীবন, প্রধান শিক্ষক পিএইচজি হাই স্কুল, কসবা। প্রিন্সিপাল সুলতান কবীর চুনু, প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজ, কোণাগ্রাম। প্রিন্সিপাল (ভারপ্রাপ্ত) মুজিবুর রহমান, বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজ, খাসা। অধ্যাপক শামস উদ্দিন, বর্তমান কর্মস্থল, সহযোগী অধ্যাপক রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, এম.সি কলেজ, শ্রীধরা। সহকারি অধ্যাপক ফয়সল আহমদ, বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজ, খাসাড়ি পাড়া। প্রভাষক কামরুজ্জামান, প্রাণীবিদ্যা বিভাগ, সরকারি মহিলা কলেজ, বড়দেশ। লেখক গবেষক আবদুল হাকীম তাপাদার, কসবা প্রভাষক জাকির হোসেন, প্রাণীবিদ্যা বিভাগ, এমসি কলেজ, খাসা। প্রভাষক সঞ্জয় আচার্য, ইংরেজি বিভাগ, বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজ, ফতেপুর। অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া, বর্তমান কর্মস্থল সিলেট শিক্ষাবোর্ড, ছোটদেশ। সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল বাসিত সিলেটের সাপ্তাহিক যুগভেরী পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাকের সিলেট প্রতিনিধি ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ময়দানে সাপ্তাহিক জয় বাংলা নাম পরিবর্তন করে সোনার বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। কৃতী সাংবাদিক আবদুল বাসিত ছোটদেশ গ্রামের সন্তান। সাংবাদিক আবদুর রউফ খান মিষ্ঠু, ছোটদেশ। সাংবাদিক মিছবাহ উদ্দিন, আমেরিকা প্রবাসী, কসবা। সাংবাদিক বাবুল হোসেন, আমেরিকা প্রবাসী, ফতেপুর। সাংবাদিক চৌধুরী দেলওয়ার হোসেন জিলন, অস্থায়ী নিবাস নয়াগ্রাম। নাট্যকার লেখক ফয়জুল আলম, পণ্ডিতপাড়া। মরহুম সাহিত্যিক তাজ উদ্দিন আহম্মদ, শ্রীধরা। ‘শেখ ওয়াহিদুর রহমান একাডেমী’র স্থপতি কবি গীতিকার শেখ ওয়াহিদুর রহমান, খাসাড়ীপাড়া। লেখক লুৎফুর রহমান রনো, লেখক কলামিস্ট ফারুক যোশী, লন্ডন প্রবাসী, খাসা। লেখক এনায়েত সরওয়ার, লন্ডন প্রবাসী, খাসা। । কবি তমিজ উদ্দিন লোদী, মাথিউরা। কবি ফজলুল হক, খাসা। মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান একজন লেখক গবেষক, ছোটদেশ। পিএইচজি হাই স্কুল থেকে পরপর আলোকিত মানুষের মিছিল বের হয়ে বিয়ানীবাজারের জনপদসহ গোটাদেশ আলোকিত করছে, এটাই পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বার্থকতা বাবু পবিত্র নাথ দাসের। পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ হাই স্কুলের ছাত্র জনাব আরজদ আলী আজীবন মওলানা ভাসানী সমর্থক রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি সিলেটের রেফারেণ্ডামে বিয়ানীবাজারে পাকিস্তান পক্ষের প্রধান নেতা ছিলেন, আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন ন্যাপের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন, জাগদল তথা বিএনপির প্রতিষ্ঠতা আরজদ আলী। প্রগতিশীল রাজনীতির প্রবর্তক আরজদ আলী বিয়ানীবাজারে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকদের সংগঠক ছিলেন। বাড়ি মূলতো ছোটদেশ পরবর্তীতে নয়াগ্রাম।হাজী এম এ লতিফ রাজনীতিতে আরজদ আলীর অনুসারী ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন বিয়ানীবাজারে। ছাত্র জীবনে পিএইচজি হাই স্কুলের ছাত্র রাজনীতিবিদ এম এ লতিফ শ্রীধরা গ্রামের কৃতি সন্তান ছিলেন। কোণাগ্রামের সন্তান জনাব কুতুব উদ্দিন মাধ্যমিকে পিএইচজি হাই স্কুলের ছাত্র ছিলেন, রাজনীতিতে মুসলিমলীগের পতাকাবাহী ছিলেন, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতায় দুই দুইবার মুড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। একবার পাকিস্তান আমলে, একবার বাংলাদেশ আমলে। কোণাগ্রামের কৃতি সন্তান জনাব কুতুব উদ্দিন এখন আর বেঁচে নেই। জনাব খলকুর রহমান মাথিউরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। মাথিউরা হাই স্কুল, মাথিউরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং ভাটার বাজারের বদলে ঈদগাহ কেন্দ্রিক মাথিউরা প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন খলকুর রহমান। আধুনিক মাথিউরার অন্যতম রূপকার খলকুর রহমান পিএইচজি হাই স্কুলের ছাত্র ছিলেন এবং স্কুল ক্যাপ্টেন ছিলেন। সামস উদ্দিন খান পিএইচজি হাই স্কুলের ছাত্র থাকা কালেই লন্ডন চলে যান। লন্ডনে মহারাণী রেষ্টুরেন্টসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেন। সর্বোপরি বিশ্বমানের শিক্ষা নীতির প্রবর্তক শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ পিএইচজি হাই স্কুলের ছাত্র থাকা কালেই পবিত্র নাথ দাসের সর্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থায় অনুপ্রাণিত হন। শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদের বাড়ি মূলতো কসবা গ্রামে, পরবর্তীতে হন নয়াগ্রামবাসী। পবিত্র নাথ দাস প্রতিষ্ঠিত পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ হাই স্কুল যুগযুগ ধরে জাতিকে সুনাগরিক গড়ে দিচ্ছে। বিদ্যালয় যে সত্যিকার মানুষ গড়ার কারখানা পিএইচজি হাই স্কুল তার এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ। অখণ্ড ভারত গেলো, পাকিস্তান গেলো, এখন স্বাধীন বাংলাদেশ আমল। সময়ের পরিক্রমায় পিএইচজি হাই স্কুল কম্পাউণ্ডে নতুন নতুন বিল্ডিং নির্মিত হয়েছে। কিন্তু এখনো ১৯১৭ সালে নির্মিত দুটি বিল্ডিং পবিত্র নাথ দাসের স্মৃতি বহণ করে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এখনো পিএইচজি হাই স্কুল বিয়ানীবাজার উপজেলার কেন্দ্রীয় হাই স্কুল হিসেবে সুনাম অক্ষুন্ন রেখে চলছে। পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ হাই স্কুল বিয়ানীবাজারে প্রথম আধুনিক শিক্ষা ছড়াকু বিদ্যাপীঠ। পবিত্র নাথ দাস বিয়ানীবাজারে আধুনিক শিক্ষার পথিকৃত প্রবর্তক। তথ্যসূত্র: ১. ‘পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক শ্রীনাথ ভট্টাচার্যের স্মৃতিচারণ অবলম্বনে খ্যাতিমান লেখক গবেষক মুহাম্মদ আবদুলহাকীম তাপাদর রচিত প্রবন্ধ ‘পঞ্চখণ্ডের পাঞ্চজন্য কর্মবিলাসী পল্লীবন্ধু পবিত্রনাথ।’২. শিক্ষক বিরাজ কান্তি দেব রচিত ‘পবিত্র নাথ স্মৃতি তীর্থে’ ৩. পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়: ‘অতীত ও বর্তমান’ মো: আলী আহমদ। ৪. প্রভাষক সঞ্জয় আচার্য ও আবুল হাসান’র গোগলে সার্চ । 

শেয়ার করুন

Print Friendly and PDF


মতামত দিন

Developed By -  IT Lab Solutions Ltd. Helpline - +88 018 4248 5222