সর্বশেষ

  কবি হেলাল হাফিজ হাসপাতালে   সিলিং ফ্যানের দাম এক লাখ টাকা!   শুনতে কি পাও কৃষকের কান্না   আজ রক্তে ভেজা ২০ মে : মহান চা-শ্রমিক দিবস   একটি অন্য রকম প্রতিবাদ   হুয়াওয়ের শীর্ষে পৌঁছানোর স্বপ্ন গুড়িয়ে দিলো গুগল?   মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই ছয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মী; হতাশ বিশ্বজিতের পরিবার   বুধবার থেকে পাটকল শ্রমিকদের ৬ ঘণ্টা সড়ক-রেলপথ অবরোধ   সাগরে যাবে বিয়ানীবাজারের দুই শতাধিক তরুণ   র‍্যাবের অভিযানে বিয়ানীবাজার দু'জন গ্রেফতার   ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে কেন এই রক্তারক্তি   ৯৫ ভাগ জাতীয় আয় চলে যাচ্ছে ৫ ভাগ মানুষের হাতে   যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও খরচ বেশি বাংলাদেশের শিক্ষায়   হাজী আব্দুস সাত্তার শপিং কমপ্লেক্স মালিকপক্ষে'র ইফতার সামগ্রী বিতরণ   অনন্ত হত্যার বিচার বিশেষ ট্রাইব্যুনালে করার দাবি

সম্পাদকীয়

মার্ক্সের ভাবনায় মুক্ত মানুষ ও ইতিহাস

প্রকাশিত : ২০১৯-০৪-২১ ১৫:৫৪:৩০     আপডেট : ২০১৯-০৪-২১ ১৫:৫৯:০৬

রিপোর্ট : নাসের আহমদ


ইতিহাস বলতে আমরা যা বুঝি, তার সঙ্গে মার্ক্সের ভাবনার মধ্যে একটি মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। তিনি ব্যক্তিগত সম্পত্তির উপর গড়ে ওঠা ইতিহাসকে মালিক পক্ষের বয়ান হিসেবেই দেখেছেন। তাকে ইতিহাস বলে গণ্য করেননি। সম্পত্তি সম্পর্ক বির্বতনের ধারায় আমার এখন সমাজ বিকাশের যে স্তরে রয়েছি, মার্ক্স তাকে পুঁজির আত্মস্ফীতি ও পুঁঞ্জিভবনের ইতিহাস হিসেবে দেখেছেন। যার কর্তাশক্তি মানুষ নয়, পুঁজি। পুঁজি তার জন্মলগ্ন থেকেই প্রাক-পুঁজিবাদী সব ধরণের সম্পর্ক ধংসযজ্ঞের মধ্য দিয়ে তচনচ করার সঙ্গে তাকে রক্ষাও করেছে। এটা তার টিকে থাকার শক্তি। পুঁজি আবার একই সঙ্গে ব্যক্তি মানুষের আর্বিভাবের সম্ভাবনাও সৃষ্টি করে। 

মার্ক্স সমাজের যে দ্বান্দ্বিকতা তার নামকরণ করেছিলেন শ্রেণি সংগ্রাম। আর মানুষ বলতে মার্ক্স মানুষের জৈবিকতা বা মানুষের বৈষয়িকতা বোঝাননি। তবে এ দুটো উপাদান মানুষের মানুষ হয়ে ওঠার গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। মার্ক্সের কাছে মানুষ হলো এমনই এক স্বত্বা, যার এক সজ্ঞান ও সচেতন সামাজিক কর্তাস্বত্ত্বা থাকবে। ওই স্বত্বা মানুষকে প্রকৃতির অংশ এবং প্রকৃতির মধ্যে নিজেরভেদ এ উভয় সম্ভাবনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করে। ফলে মার্ক্সে আমাদের রক্ত, লিঙ্গ, বর্ণ, গোত্র,ধর্ম, ভৌগলিক অবস্থান, দেশ, জাতি, জাতীয়তা, ভাষা ইত্যাদি কৃত্রিম পরিচয়কে অতিক্রম করতে শেখায়। নিজের ভেদ নিজেকেই বিচার করতে শেখায়। 

মানুষের মধ্যে তখন অপরকে দাস করে রাখার বিপরিত ক্রিয়া সজ্ঞানে প্রবল হয়ে ওঠে। মানুষের প্রকৃত ইতিহাসের যাত্রা তখন থেকে শুরু হয়। ফলে প্রচলিত শ্রমবিভাজন ও তার উপর গড়ে ওঠা ইতিহাসকে মার্ক্স মালিক শ্রেণির ইতিহাস হিসেবে দেখেছে। ফলে তার ঘোষণা ছিল পুঁজির ক্ষমতা অক্ষুণ রেখে সামাজে মুক্ত মানুষের আর্বিভাব সম্ভব নয়। ব্যক্তির সৃজনশীল বিকাশও সম্ভব নয়। এটাই ছিল মর্ক্সের কাছে মুক্তমনের মানুষ ভাবনা।

শেয়ার করুন

Print Friendly and PDF


মতামত দিন

Developed By -  IT Lab Solutions Ltd. Helpline - +88 018 4248 5222