সর্বশেষ

  সরকারি ১০১ খাতে দুর্নীতি চিহ্নিত করেছে দুদক   জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের চিন্তাধারা কেন ‘বিপজ্জনক’?   তাসকিনের চোখে জল   রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলে ধর্মঘট শ্রমিকদের নামে মামলা   সব ব্যাংকের চোখ ৭৫ হাজার কোটি টাকায়   গ্রামবাসীর অর্থায়নে শহিদটিল্লা থেকে বড়দেশ রাস্তা সংস্কা্রের কাজ চলছে   শ্রীহট্টের চন্দ্রপুর বিশ্ববিদ্যালয়: এক অনন্য নিদর্শন   ‘ভাত দে, কাজ দে, না হয় হকারদের ফুটপাতে বসতে দে’   উচ্ছেদ করা হবে বিয়ানীবাজারের অস্থায়ী মাছ বাজার   ধারাবাহিক গেলদের চান লারা   বিয়ানীবাজার থেকে ৬ লাখ টাকা ছিনতাই   প্রাথমিকে নারী শিক্ষক প্রার্থীদেরও সর্বনিম্ন যোগ্যতা স্নাতক   কৃষিকাজ ছাড়তে চায় ৬৫ শতাংশ কৃষক   সিলেটসহ সারা দেশে বয়ে যাচ্ছে কালবৈশাখী   ধর্মঘট, হরতাল ও অনশন প্রসঙ্গে সংক্ষিপ্ত কিছু কথা

রাজনীতি

মন্ত্রী, এমপিরা জেলা, উপজেলায় পদ পাবেন না

প্রকাশিত : ২০১৯-০৪-০৫ ১৭:৩৫:১৪

রিপোর্ট : দিবালোক ডেস্ক



ঢাকা, ০৩ এপ্রিল- এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান সহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আওয়ামী লীগের স্থানীয় কমিটিতে থাকতে পারবেন না। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি এরকম সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। দলের সভাপতির ইচ্ছা অনুযায়ী এরকম একটি প্রস্তাবনা  শুক্রবারের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির বৈঠকে উপস্থাপিত হতে পারে বলে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।

আগামী অক্টোবরে আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কাউন্সিলের আগে, ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলা সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম বৈঠকে। ঐ বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি মাস থেকেই স্থানীয় পর্যায়ের সম্মেলন করার কথা। আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, দলের সভাপতি স্থানীয় পর্যায়ে এমপিদের একজন কর্তৃত্বের অবসান চান। আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছে ‘এবার প্রায় সব সংসদীয় আসনেই লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হতে পারেনি, সেখানেও নারী সংসদ সদস্য দেয়া হয়েছে। এর ফলে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকাই একজন সংসদ সদস্যের দখলে।’ তার মতে ‘ঐ সাংসদ ইউনিয়ন উপজেলা এবং জেলা কমিটিতে কর্তৃত্ব করছেন। অনেক এমপি জেলা কমিটির সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক। ফলে ঐ জেলায় তার নিজস্ব বলয় তৈরী হচ্ছে। 

উপজেলা পর্যায়ে এমপি এবং উপজলা চেয়ারম্যানরা মিলে মিশে দল করছেন, ফলে অনেক ক্ষেত্রেই দলের নিবেদিত, আদর্শবান কর্মীরা ভালো জায়গা পাচ্ছে না।’ তিনি বলেন ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি, দল এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের আলাদা করতে চান। একজন এমপি বা উপজেলা চেয়ারম্যানের অনেক সরকারী এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব থাকে। এসব দায়িত্ব পালন করে তার পক্ষে, দলকে সময় দেয়া কঠিন হয়ে যায়। দল চালায় তার অনুগতরা। দলের ‘চেইন অব কমান্ড’ ভেঙ্গে পরে।’ এরকম অবস্থার অবসান চান আওয়ামী লীগ সভাপতি। 

সূত্র মতে, একজন এমপি বা উপজেলা চেয়ারম্যান অথবা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ঠিক মতো কাজ করছেন কিনা, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছেন কিনা তা দেখভাল করবে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। তাছাড়া, এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ব্যস্ত থাকার কারণে দলে সময় দিতে পারেন না, ফলে সংগঠন দূর্বল হয়ে পরে। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদককে রিপোর্টে দেখা গেছে, স্থানীয় আওয়ামী লীগ অনেকাংশেই মন্ত্রী, এমপি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান নির্ভর হয়ে গেছে। এর ফলে দল ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। দলে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটছে না।

শুক্রবার দলের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে সাংগঠনিক সম্পাদককে রিপোর্ট গুলা পর্যালোচনা করা হবে। আওয়ামী লীগ সভাপতি এবার দলকে শক্তিশালী করার দিকে মনোযোগী। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়ামের একজন প্রভাবশালী সদস্য বলেছেন ‘টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকার ফলে দল ক্ষমতার বৃত্তে আটকে গেছে। এখান থেকে দলকে বের করতে হবে।’ তিনি বলেন ‘নির্বাচন গুলোর কারণে দলের ভেতর মনোমালিন্য বেড়েছে। কোন্দল, গ্রুপিংও তৈরী হয়েছে। এই অবস্থার অবসান ঘটাতে কাউন্সিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কাউন্সিল দলকে নতুন রূপে সাজাবে।’ আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা মনে করছেন, অক্টোবরের কাউন্সিলের আগেই দলের বিভেদ এবং অনৈক্য কেটে যাবে। এক নতুন আওয়ামী লীগ আত্মপ্রকাশ করবে।
সূত্র: বাংলা ইনসাইডার

শেয়ার করুন

Print Friendly and PDF


মতামত দিন

Developed By -  IT Lab Solutions Ltd. Helpline - +88 018 4248 5222