সর্বশেষ

  বাজেটে শিক্ষাকে বিশেষ শ্রেণির হাতে দেওয়ার চেষ্টা: ছাত্র ইউনিয়ন   এ বাজেট ধনীকে আরও ধনী, গরিব-মধ্যবিত্তকে অসহায় করে তুলবে: সিপিবি   আড়াই বছরেও সম্পদের হিসাব জমা দেননি দুদকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা   মুর্তজার মৃত্যুদণ্ড বাতিল করছে সৌদি আরব!   বিয়ানীবাজারে তথ্য আপা প্রকল্পের উঠন বৈঠক অনুষ্ঠিত   শ্রীবাসুদেবের স্নানমন্দিরে উৎসব পালিত   প্রাণীর চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে বিলুপ্ত হচ্ছে উদ্ভিদ প্রজাতি   ডেনমার্কের কমবয়সী প্রধানমন্ত্রী হবেন বামদলের মিটি ফ্রেডরিকসেন   কৃষকের দুর্গতির আসল কারণ হলো দেশে ‘পুঁজিবাদী ব্যবস্থা’   দিনে ছাপবে ২৫ হাজার ই-পাসপোর্ট, ছাপা হবে এমআরপিও   সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়ায় এই বালকের শিরোশ্ছেদ করবে সৌদি!   অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস   ৭৩ বছরে ৩ কোটি মানুষ হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র   মিলিয়ন বছরের ঘুমন্ত জীবের পুনরুত্থান!   আজ ঐতিহাসিক ৭ জুন- শহিদ মনু মিয়া দিবস

রাজনীতি

ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে কেন এই রক্তারক্তি

প্রকাশিত : ২০১৯-০৫-২০ ০২:১৬:০৯

রিপোর্ট : দিবালোক ডেস্ক


বাংলাদেশের রাজনীতিতে এ এক পরিচিত দৃশ্য। বিশেষ করে বড় দলগুলোর বেলায়। কোন একটি কমিটি ঘোষণা হবে, আর এ নিয়ে  হট্টগোল হবে না তা একেবারেই বিরল। ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যা হলো তাই তাকে অভিনব বলা যায় না। যদিও নারীদের ওপর যেভাবে দলীয় নেতাকর্মীরা হামলা চালাল, রক্তাক্ত করলো তা বিরল। এবং একই সঙ্গে নিন্দনীয়। 

ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণার পরও আমরা এ দৃশ্য দেখি। অনেক পর্যবেক্ষকই বলে থাকেন, ছাত্রদল নামে যে কোন ছাত্র সংগঠন আছে তা সারা বছর বুঝা যায় না। যখন কমিটি ঘোষণা করা হয় তখনই কেবল বুঝা যায়। তখন পদবঞ্চিতরা নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে তালা দেন। এবং কে না জানে বিরোধী দলে আছে বলেই তারা এটা করতে পারে। কারণ তখন পল্টনে কোন বিক্ষোভ হলে পুলিশ বাধা দেয় না। গণতন্ত্র বলে কথা। 

ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার জন্য বেশ সময় লাগলো। অনেকগুলো সূত্রই বলছে, মূলত সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের মতভেদের কারণেই কমিটি দিতে এতোদিন সময় লাগলো। তাও কমিটি ঘোষণায় শেষ পর্যন্ত শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়েছে।

আওয়ামী লীগ দুই দশকের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায়। বাংলাদেশের ইতিহাসে অতীতে কখনও এমনটা হয়নি। সরল অঙ্কের নিয়মেই প্রতিটি ক্যাম্পাসেই এখন ছাত্রলীগের আধিপত্য। হলে হলে ছাত্রলীগের দখল। টিভি রুম থেকে গেস্টরুম সবাই ছাত্রলীগ। এই পরিস্থিতিতে ছাত্রলীগের প্রতিটি পদের জন্য আকাঙ্খী ব্যক্তির সংখ্যা অনেক থাকবে এটা অস্বাভাবিক নয়। পুরো বিষয়টাকে তারা জীবন মরণ সমস্যা হিসেবে নিবেন এতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তবে পদবঞ্চিতদের তুলনায় পদধারীরা যে শক্ত অবস্থানে রয়েছে ক্যাম্পাসে সেটা অনেকটাই স্পষ্ট।

মধুর ক্যান্টিনে যা হয়ে গেছে তা অবশ্যই নিন্দনীয়। পদবঞ্চিতরা এরই মধ্যে নতুন করে আলটিমেটাম দিয়েছেন। তবে এ আলটিমেটামে যে বড় কিছু বয়ে নিয়ে আসবে না তা সবারই জানা। হয়তো নতুন করে কারও কারও ভাগ্য খুলতেও পারে।মধুর ক্যান্টিনের ঘটনায় অনেকে অবশ্য ইতিহাসের প্রত্যাবর্তনও দেখতে পান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ফাহমিদুল হক যেমনটা লিখেছেন, যারা অন্যকে অন্যায়ভাবে মারে, তারাও মার খেতে পারে, অন্যায়ভাবেই। আপনারা যদি এমন যন্ত্র তৈরি করেন, যা বাছবিচার ছাড়া কেবল বিপক্ষ মেরে সাফ করবে, বিপক্ষ নিধনের পর এবার যন্ত্র আপনাদেরই আক্রমণ করবে। কারণ যন্ত্রটি অমর এবং সে কাউকে না কাউকে মেরেই বেঁচে থাকে।

শেয়ার করুন

Print Friendly and PDF


মতামত দিন

Developed By -  IT Lab Solutions Ltd. Helpline - +88 018 4248 5222