সর্বশেষ

  ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদবিবরণী দাখিল করতে হবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ১০ কর্মকর্তার   হুমায়ূন আহমেদের ৭১তম জন্মবার্ষিকী আজ।   প্রাথমিকের শিক্ষকদের বেতন বাড়ছে   সড়ক পরিবহন আইন নিয়ে সিলেটে ট্রাফিক পুলিশের প্রচারণা   ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৮ জনই হবিগঞ্জের   শ্রীমঙ্গলে একরাতে ৭ মন্দিরে চুরি, প্রতিমা ভাংচুর   আহত বাবা-মাকে নিয়ে ঢাকার পথে অ্যাম্বুলেন্স, মর্গে পড়ে আছে ছোঁয়া মনির নিথর দেহ   গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে সিলেটে নাহিদ   বুলবুলের পর এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় 'নাকরি'   পায়ের ওপর দিয়ে বাস, মৃত্যুর কাছে হার মানলেন সেই নারী   আসন্ন সম্মেলন উপলক্ষে বিয়ানীবাজারে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের প্রচার মিছিল অনুষ্টিত   সিলেটের ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে   মেয়াদোত্তীর্ণ ৭৭% রেল ইঞ্জিন!   নিহতদের পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে দেবে রেল মন্ত্রণালয়   সেই শিশুটির স্বজন পাওয়া গেছে

রাজনীতি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শারমিন

প্রকাশিত : ২০১৯-১১-০৮ ০১:১৮:৫৬

রিপোর্ট : দিবালোক ডেস্ক

ফেসবক থেকে সংগ্রহীত

চোখে আলো নেই শারমিন আক্তারের। তবে মনের আলোতে আলোকিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় বর্ষের এই শিক্ষার্থী। থাকেন প্রীতিলতা হলে। সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ছাত্রী শারমিনকে চলতে হয় অন্যের সহযোগিতায়। তবে থেমে যাবার পাত্র নন শারমিন। নিজের জীবনকে চালিয়ে নিচ্ছেন অন্য আর দশজনের মতোই। সেই মনের শক্তিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। অন্য সবার মতো স্লোগান তুলেছেন মুখে।



জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি ফারজানা ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত ক্যাম্পাস। মিছিলের সামনে থাকা মেয়েটিই হলো এই শারমিন। অদম্য শক্তিতে এগিয়ে চলছেন। শারমিন বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন আমাদের দীর্ঘ আড়াই মাসের। গত পরশুদিন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা করে। এরপর থেকেই সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে আন্দোলনকে আরও জোরালো করি। 


তিনি আরো বলেন, প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও আমাকে আন্দোলনে আসতে হয়েছে। আমার চোখে আলো নেই তবে আমার বিবেক জাগ্রত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি রক্ষায় আসা উচিত মনে হয়েছে তাই এসেছি। শারমিন বলেন, ভিসির পদত্যাগ ও দুর্নীতির বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। এই আন্দোলন ক্যাম্পাসকে বাঁচানোর আন্দোলন। আমাদের যে অনৈতিকভাবে হল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্ত আমরা মানি না। অনতিবিলম্বে আমাদের হল গুলো খুলে দিতে হবে। আন্দোলনে আসার ক্ষেত্রে কেউ তাকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেনি। তবে অনেকেই নিরুৎসাহিত করেছেন। তাদের কথা- তুমি তো চোখে দেখোনা আন্দোলনে তোমার কোন ক্ষতি হলে সেই দায় কে নেবে।




শারমিন বলেন, ছাত্রলীগের হামলার দিন আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। আমি হলে ছিলাম। হামলার কথা শুনে আমি আর বসে থাকতে পারিনি। চলে এসেছি আন্দোলনে। আমার পরিবার আন্দোলনে অংশগ্রহণের বিষয়টি জানে। আমি এমন একটি পরিবারের মেয়ে যারা সব সময় অন্যায়ের প্রতিবাদ করে এসেছে।

শেয়ার করুন

Print Friendly and PDF


মতামত দিন

Developed By -  IT Lab Solutions Ltd. Helpline - +88 018 4248 5222