Advertise
০১ অগাস্ট, ২০২৬ ০০:৫৫
হবিগঞ্জ, গোলাপগঞ্জে যারা জামাত-শিবিরের গুপ্তচর এনসিপির উপর হামলা করেছে, তারা সবাই বিএনপি নয়।
আওয়ামীলীগকে সমর্থন করেন,কিন্তু আওয়ামীলীগার হিসাবে পরিচয় নাই--এমন মানুষও সুযোগটি নিছেন।
আমি খবরাখবর করে এই তথ্য সংগ্রহ করেছি। তথ্যটি একদমই সঠিক। তথ্যটি পাওয়ার পর আমি এনসিপির ছেলেপুলেদের নিয়ে সত্যিই সাংঘাতিক চিন্তিত।
এই অপরিণামদর্শী ছেলেপুলে ও তাদের মদতদাতারা আসলে কিসের জোরে, কি চিন্তা করে এভাবে আগুন নিয়ে খেলছে.?
এদের বিরুদ্ধে দেশের মেজরিটি মানুষের বড় অভিযোগ হলো-----এরা "সাজানো-গোছানো বাংলাদেশকে ধ্বংস করেছে।" এরা সীমাহীন ও নির্বিচারে মব করেছে। এরা তাদের দুর্বিনীত আচরণ ও কথাবার্তায় দেশের ঐতিহ্য ও পরিচিত সমাজ ব্যবস্থাকে বিনাশ করেছে। সর্বোপরি একটা প্রজন্মকে একেবারে ধ্বংস করে দিয়েছে। এদের কারণ একটা অশ্লীল ও বেয়াদব প্রজন্মের জন্ম হয়েছে।
এনসিপির বিরুদ্ধে দেশের মেজরিটি মানুষের কমন মানসিকতা যেখানে এমন, এমতাবস্থায় তারা এখনও ক্ষমতাসীন ও দেশের একটি বড় রাজনৈতিক দলের নেতাদের নাম ধরে লাগামহীন কথা বলে কোন সাহসে, কিসের জোরে.? আওয়ামীলীগ সংকটে আছে, তাই বলে এনসিপি কি আওয়ামীলীগের সামনে চোখের পলক-সমান টেকার মতো দল.? তবে...?
এদেরকে মাঠে নামিয়েছে আমেরিকা ও আমেরিকার ডলারের কাছে বিক্রি হওয়া বাংলাদেশী ইসলামিস্ট ও প্রগতিশীলের ট্যাগধারী ব্যক্তি, পথহারা, আদর্শহারা বামাতি ও এনজিওগোষ্ঠী।
এবং তাদেরকে বিনা বাধায় যা-তা করার লজিস্টিকস সাপোর্ট দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী(গোপালগঞ্জ ইন্সিডেন্ট )।
এসবই সবার জানা। এখন কথা হলো, এ অবস্থা এমন কতদিন থাকবে.? দেশের ৯৫% ভাগ জনগন যাদেরকে ঘৃণার চোখে দেখে, তারা বাহিরের শক্তি আর ভিতরের অপ শক্তির জোরে কতদিন টিকবে.?
আমেরিকা তো চলে যাবে, যাওয়া শুরু করেছে। কারণ তাদের বাণিজ্যিক মিশন শেষের পথে।
বাংলাদেশে তেলের খনি, স্বর্ণের খনি, ইউরেনিয়ামের মজুদ নাই যে দীর্ঘকাল থাকতে হবে। টুকিটাকি কিছু ব্যবসা--যেমন কয়ডা বিমান বিক্রি, কিছু তরল গ্যাস বিক্রি, কিছু ভুট্টা-গম বিক্রির বিষয় ছিলো---সেইসব বিষয়ে চুক্তি হয়ে গেছে।
আগামীতে কট্টর জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমিক কোনো রাষ্ট্রনায়ক এলেও আমেরিকার সাথে সম্পাদিত চুক্তি বাতিল/সংশোধনের সাহস পাবে কিনা সন্দেহ আছে।
হ্যা যা বলছিলাম, আমেরিকা গেলো বলে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যেটা করেছে, সেটা শেখ হাসিনাকে ঘৃণা করে বা এনসিপির পুলাপানকে ভালোবেসে করেনি।সেটাও করেছে আমেরিকার ধমকে বা কথায়।
আমার ধারণা সেই সময় সমাগত প্রায়--"শাউয়া-মাউয়া পুলাপানের দুর্গতি অতিশয় সন্নিকটে। কিন্তু ওরা এখনো Hypnotized সম্মোহিত হয়ে আছে। নিজেদের পরিণাম সম্পর্কে ওরা এখনও বেখেয়াল। সুস্থ মাথায় নেই বলেই ওরা এখনো কথা ও আচরণে লাগাম টানতে পারছে না।
এমতক্ষেত্রে পরিণতি সবার জন্য সবসময়ই খুব খারাপ ও দুঃখজনক হয়। আমার ধারণা ওদের ক্ষেত্রেও তাই হবে....যদি না এখনও ওদের হুঁশ ফিরে আসে !