Advertise
২৮ অগাস্ট, ২০২৬ ০০:১৮
যেসকল দ্বৈত নাগরিক সাংবিধানিক পদে রয়েছেন, নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য গোপন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন অথবা রাষ্ট্রায়ত্ত কোনো সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন—এদের প্রত্যেকের সকল তথ্যই সরকারের কাছে থাকার কথা এবং রয়েছে। সরকারের উচিত, নিজ থেকেই এসব দ্বৈত নাগরিকের পরিচয় প্রকাশ করা। সরকার সংবিধান সমুন্নত রাখতে ইতোমধ্যেই বেশ দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছে। তাহলে সেই সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক যেসব ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর বিস্তারিতও তো তাদেরই স্বপ্রণোদিত হয়ে প্রকাশ করা উচিত? আপনাদের ভালো করেই জানা রয়েছে, কাদের বিদেশি নাগরিকত্ব রয়েছে—সব তথ্য জানার পরও কি এহেন রীতি-বিরুদ্ধ কাজ কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে? সংবিধান অনুযায়ী, দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে—এমন ব্যক্তিদের সাংবিধানিক পদে নিয়োগ দেওয়ার এবং শপথ নেওয়ার সুযোগ নেই। সেখানে যদি দ্বৈত নাগরিকদের নিয়োগ দিতেই হয়, তাহলে আগে জনমত যাচাই করুন এবং সাধারণ জনগণ এ ধরনের সিদ্ধান্ত কীভাবে গ্রহণ করবে, তা জেনে নিন। আপনাদের অসহযোগিতার কারণে, গণমাধ্যমকেই যদি দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে একের পর এক সংবাদ প্রকাশ করতে হয় তাহলে কি বিষয়টা আপনাদের জন্যেই বেশি বিব্রতকর হবেনা?