আজ শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং

Advertise

আন্তর্জাতিক

নিউজ ডেস্ক

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:২৬

সৌদি আরবে ট্রাম্পের মনোনীত রাষ্ট্রদূত কে এই হান্ট

দীর্ঘদিন কোনো স্থায়ী রাষ্ট্রদূত ছাড়া চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স দিয়ে সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাস পরিচালনার পর অবশেষে নতুন প্রতিনিধি মনোনীত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি টেক্সাস থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান প্রতিনিধি ও সাবেক সেনাকর্তা ওয়েসলি হান্টকে সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত পদে মনোনীত করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি সম্পর্কের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল সময়ে হিউস্টন অঞ্চলের এই কংগ্রেস সদস্যকে এ পদে মনোনীত করা হলো। ইরান যুদ্ধ এবং ইয়েমেনসহ গোটা অঞ্চলে চলমান চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তার এই মনোনয়ন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। রিয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার আগে মার্কিন সিনেটের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।

আফ্রিকান-আমেরিকান ঐতিহ্যের এই কূটনীতিক মাইকেল র‌্যাটনির স্থলাভিষিক্ত হবেন। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মেয়াদে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেও মাইকেল র‌্যাটনি রিয়াদে বিশেষ কাজের ছাপ রেখে গেছেন। তার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি সৌদি ও মার্কিন গণমাধ্যম ও থিঙ্কট্যাঙ্কের মাধ্যমে রিয়াদকেন্দ্রিক আলোচনায় সক্রিয় রয়েছেন।

সৌদি আরবে থাকার অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে হান্ট বিভিন্ন সময়ে ইসলাম ও মুসলিমদের নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছেন।

‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’

ওয়েসলি হান্টের সামরিক পটভূমি এবং ইতিপূর্বে রিয়াদে কাজ করার অভিজ্ঞতা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক পটভূমি ও এ অঞ্চলে কাজের অভিজ্ঞতা থাকা মার্কিন কর্মকর্তাদের আরব ও উপসাগরীয় সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে জানাশোনা অন্যান্য কূটনীতিকদের চেয়ে বেশি থাকে। তবে সব সময় এমনটা না-ও হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কেনীয় বংশোদ্ভূত বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এ অঞ্চল নিয়ে তার নীতি অনেককে হতাশ করেছিল।

নিজের মনোনয়ন নিয়ে হান্ট বলেন, এটি তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। সাবেক এই সেনাকর্তা ইরাক এবং সৌদি আরবে কূটনৈতিক লিয়াজোঁ অফিসার হিসেবে দুবছরের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘এই অভিজ্ঞতা ওয়াশিংটন ও রিয়াদের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্বের গুরুত্ব বুঝতে আমাকে সরাসরি সাহায্য করেছে।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে হান্ট জানান, সিনেটের অনুমোদন পেলে তার মূল লক্ষ্য হবে দুই দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ জোরদার করা, জ্বালানি সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং যৌথভাবে শত্রুদের মোকাবিলা করা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’ দর্শনের অংশ হিসেবেই তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।

শেয়ার করূন

আপনার মতামত