Advertise
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:৫০
কজন ৩৬ বছর বয়সী ডায়াবেটিস রোগী সুমি বেগম দীর্ঘদিন ধরে ইনসুলিন ব্যবহার করছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের পরামর্শে তাঁর ইনসুলিন বন্ধ করে কিটো ডায়েট ও কিছু সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
এরপর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তিনি গুরুতর ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস (DKA) নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মারা যান।
ঘটনাটি নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
কিন্তু প্রশ্নটা থেকেই যায়—
একজন নিয়মিত ইনসুলিন নেওয়া রোগীর ইনসুলিন কেন বন্ধ করা হলো?
ইনসুলিন বন্ধ করার আগে রোগীর ডায়াবেটিসের ধরন, ইনসুলিনের প্রয়োজনীয়তা, রক্তে শর্করা, কিটোনসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছিল কি?
কারণ কিটো ডায়েট করলেই ইনসুলিন বন্ধ করা যায়—এমন কোনো সাধারণ নিয়ম নেই। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ইনসুলিন বন্ধ করা জীবন-ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।
তদন্তে সত্যিটা বেরিয়ে আসুক—ইনসুলিন কেন বন্ধ করা হয়েছিল, কী পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং সুমি বেগমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী ছিল।
একজন মানুষের জীবন নিয়ে প্রশ্ন?
সত্যিটা জানা আমাদের সবার অধিকার।
তথ্যসূত্র:
• স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটি সংক্রান্ত প্রতিবেদন — সমকাল
• রোগীর ঘটনা ও অভিযোগসংক্রান্ত প্রতিবেদন — MediVoice Bangladesh
• অভিযোগপত্র ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের চিঠির তথ্য — The Business Standard (TBS)