Advertise
০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:১৪
সর্বশেষ আপডেট :
০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:১৫
এই বছর মেডিসিন এ আরও দুইজন বিজ্ঞানীর সাথে আমেরিকার স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক karl deisseroth নোবেল পুরস্কার পেয়েছে | আমি যখন জাপানের RIKEN এ পিএইচডি করি, তখন কার্ল RIKEN এ টক্ দেয়ার জন্য আসে | আমার সৌভাগ্য হয়েছিল তার লেকচার শুনার | It was amazing to listen to his talk | শুধু তাই না, কার্ল আমাদের ল্যাব ভিজিট করে এবং সিদ্বান্ত হয়, তার সাথে আমাদের ল্যাব থেকে কয়েকজন ডিনারে যোগ দিবে | সৌভাগ্যক্রমে আমি, আমার একজন মালেশিয়ান পোস্টডক কলিগ, লিফুঙ, এবং ফ্রান্সের একজন পোস্টডক কলিগ, ক্যারোলিন, তার সাথে ডিনারে যাই |
টোকিও শহরের ইকেবুকুরো স্টেশন থেকে আমরা তাকে পিক করি, ওর একটু দেরি হচ্ছিল | পরে সে আমাদের জানাল যে ও হোটেলে বসে একটি আর্টিকেল লিখার কাজ করছিল, তাই দেরি হয়েছে | ডিনারে আমি তার পাশেই বসা ছিলাম | তখন থেকেই প্রতি বছর তার আর্টিকেল সবচেয়ে বনেদি জার্নাল cell, science, এবং Nature এ পাবলিশড হতো | আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে কিভাবে প্রতি বছর এতো ভালো জার্নালে পাবলিকেশন করে | উত্তরে সে বলেছিল যে writing style এর উপর নির্ভর করে তুমি কত ভালো জার্নালে পাবলিশ করবে | সে আরো বললো যে তার অনেক গ্র্যান্ট হয়তো মিস হয়, কিন্তু পাবলিকেশন এর জন্য সে যেই জার্নাল মনস্থির করে, সেখানেই সে পাবলিশ করে | ছোটোখাটো একটা মানুষ কিন্তু বিশাল বড় মাথা |
মাথা ভর্তি নিউরন |
Basically ও একজন psychiatrist. কিন্তু somehow তার গবেষণায় আগ্রহ জন্মায় এবং সে optogenetics নিয়ে কাজ শুরু করে | RIKEN এ তার presentation দেখে আমরা সবাই মুগ্ধ ও বিস্মিত হয়ে গিয়েছিলাম | তখনই সবাই বলাবলি করছিলো যে সে একদিন নোবেল পাবে |
কার্ল ইঁদুরের নিউরনে লাইট সেনসিটিভ প্রোটিন এক্সপ্রেস করে ইঁদুরের বিভিন্ন activities এর জন্য কোন নিউরন কাজ করছে সেটা জীবিত ইঁদুরের মধ্যে পর্যবেক্ষণ করতো | this was an amazing work. আমি riken এ থাকাকালীন কার্ল আরও একবার আসে টক দেয়ার জন্য | চমৎকার সব এক্সপেরিমেন্ট নিয়ে হাজির | সবাই মুগ্ধ |
সেই 2007/2008 সালে আমার হাতে বাটন ফোন | আফসোস আজকের দিনে হলে তার সাথে নিশ্চয় একটা ছবি তুলে রাখতাম |