Advertise
০১ অগাস্ট, ২০২৬ ০০:৫৯
বিরোধী দলের কোনো নেতা সরকারি গুণ্ডাদের হাতে যখন মার খায় তখন ওই নিপীড়িত নেতার প্রতি মানুষ হহানুভূতিশীল হন৷ কিন্তু ডার্বির ক্ষেত্রে মানুষ তার মার খাওয়া নিয়েও ট্রল করছে৷ এমনটা হিরো আলমের ক্ষেত্রেও ঘটেনি৷
ডার্বিদের বুঝতে হবে সালাহউদ্দিন আম্বার যখন বেলচা হাতে মানুষ পেটায় কিংবা প্রথম আলো পুড়িয়ে দিতে উস্কানি দেয় তখন মানুষ দায় চাপায় ডার্বিদের ওপর৷ সালাউদ্দিন তানভীর যখন চারশ কোটি লুট করে তার দায়ও যায় ডার্বির ওপর৷ গাজী নজরুল যখন কিশোরী মেয়ে নিয়ে ধরা খায় তার দায়ও ডার্বির ওপর যায়৷ এমন হাজার হাজার দায় তৈরি হয়েছে৷
আমরা যারা আন্দোলনে ছিলাম তারাও মনে করেছি ডার্বির অমন আচরণ হিরো আলমের সাথে গেলেও যেতে পারে কিন্তু জুলাই ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া নেতার সাথে যায় না৷
স্বাধীনতার প্রশ্নে সিংহভাগ মানুষই পক্ষে৷ যখন কেউ স্বাধীনতা নিয়ে বেফাঁস কথা বলে সেটাও ভালো চোখে দেখে না৷ এই যে এতো মব হলো, সুফিদের ওপর নির্যাতন করা হলো তার দায়ওতো ডার্বিদেরই৷
ডার্বি যখন মার খায় তখন এসব দৃশ্যও সামনে আসে৷ তাই তার মার খাওয়াকেও মানুষ ব্যঙ্গ করছে৷ মানুষ ইচ্ছায় অনিচ্ছায় করছে৷ মানবতার কথা বলতে গিয়েও মুচকি হাসছে৷ প্রতিবাদ জানাতে গিয়েও তামাশা করছে৷