Advertise
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:৪০
বিদ্যুৎ নেই, গ্যাস নেই, জ্বালানি তেল নেই, সার নেই, ভ্যাকসিন নেই, ৬০ ধরণের প্রাণ বাঁচানো ওষুধ নেই, রফতানি আয়ে ধস, ৯ শ’র ওপর কারখানা বন্ধ, ৫ লাখের মত নতুন বেকারের বোঝা নিয়ে দেশটার যখন ‘শ্বাস’ উঠেছে, সেসময়
প্রতি মিনিটে প্রায় ২ লাখ ৭২ হাজার, প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা হিসাবে গড়ে ৫ ঘন্টা সংসদ কার্যক্রমে আনুমানিক ৬ থেকে ৮ কোটি টাকা খরচ করে চলা সংসদে বাঁধনকাণ্ডে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ডেপুটি স্পিকার বলেছেন, ‘বাঁধনের ওপর হামলা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’!
মাননীয় স্পিকারকে ধন্যবাদ, যে তিনি এখানেই থেমেছেন। ২৪-এর জুলাই-আগস্ট থেকে আজ অবধি যতো হাজার জনের ওপর মবক্র্যাসি করা হয়েছে, যতো জনকে হ/ত্যা-জখম করা হয়েছে, যতো জনকে না পেয়ে তার বাবা-মা, ভাই-বোনকে তুলে নিয়ে অত্যাচার করা হয়েছে, পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি, হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধার গলার জুতোর মালা পরানো হয়েছে….. সেই সকল প্রকাশ্য ও ঘোষিত অপরাধগুলোকে তিনি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ মনে করেননি বলে জাতির কত হাজার কোটি টাকা বেঁচে গেল!
দেশের ৫৫ বছরের ইতিহাস ঘেঁটে মনে করা যায় না আর কখনও কোনও ফিল্ম আর্টিস্টকে নিয়ে সংসদে এরকম প্রতিবাদ করা হয়েছে বা স্পিকার তীব্র ভাষায় ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলেছেন।
বাঁধন বিষয়ে মাননীয় স্পিকার যে নজির রাখলেন তাতে করে পড়তি মার্কেটের বিএনপি-জামাত-এনসিপি সমর্থক আর্টিস্টরা সিলেক্টিভ মব অ্যারেঞ্জ করে সংসদে ভাইরাল হতে পারবেন। ট্রাই দেবেন নাকি?